পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি পদে কি বদল হচ্ছে? এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নিচু তলায় জোর জল্পনা চলছে। শোনা যাচ্ছে, দলের জেলা সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর জায়গায় নতুন জেলা সভাপতি কে হচ্ছেন? কৌতূহল তা নিয়েই।
তৃণমূল কংগ্রেস অন্দরে জোর জল্পনা, ফের দলের জেলা সভাপতির দায়িত্বে আসতে চলেছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই দল এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। এমনিতে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ভালোভাবেই দলের জেলা সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
তবে তাঁর বয়স ও বয়সজনিত সমস্যা গোটা জেলা চষে বেড়ানোর ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায়। তেমনই প্রবীণ এবং মাঝেমধ্যেই অসুস্হ হয়ে পড়েন স্বপন দেবনাথও। তাই দল অপেক্ষাকৃত নবীন কাউকে দলের পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতি হিসেবে চাইছিলেন। কিন্তু জেলাব্যপী গ্রহণযোগ্যতার দিক দিয়ে তেমন কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। সেকারণে স্বপন দেবনাথের ওপরই আস্থা রাখতে চলেছে দল। সেক্ষেত্রে তাঁর কাছে মন্ত্রীত্ব ছাড়ার প্রস্তাব আসতে পারে। মন্ত্রীত্ব নাকি সাংগঠনিক দায়িত্ব – কোনদিকে স্বপনবাবু অগ্রাধিকার দেবেন সেটাই এখন দেখার।
Read More – যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝে গলসিতে বাংলাদেশি যুবক গ্রেফতার, অনুপ্রবেশের অভিযোগ

শুধু জেলা সভাপতি নয়, দলের একাধিক ব্লক সভাপতি বদলেরও সম্ভাবনা রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর দলের যুব ও মহিলা সভাপতি পরিবর্তন ঘটছে না। যুব সভাপতির পদে রাসবিহারী হালদার ও মহিলা তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী পদে শিখা দত্তসেনগুপ্তই থাকছেন। তবে পরিবর্তন হচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি পদে।

স্বরাজ ঘোষের জায়গায় সেই পদে কে আসেন সেটাই দেখার। আবার বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে তন্ময় সিংহ রায়ের থাকার সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে অরূপ দাস বা উত্তম সেনগুপ্তের নাম উঠে আসছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পুরনো এবং অভিজ্ঞ এই দুই নেতাকে ফের সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানোর কথা ভাবছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই রদবদল হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
Read More – উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠতম স্থান করেছে জয়দীপ পাল।
স্বপন দেবনাথ জেলা সভাপতি হলে জেলা তৃণমূলে সমীকরণ অনেকটা বদলে যাবে বলে মনে করছেন নেতা কর্মীদের একটা বড় অংশ। শেষ পর্যন্ত দল কী সিদ্ধান্ত নেয় তা দেখতে উদগ্রীব দলের সব ধরণের নেতাকর্মীরাই।