ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত চিনমুখী হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের শীর্ষ কর্মকর্তা টমি পিগট জানান, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হলেও বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা এবং রাশিয়া থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ভারতীয় পণ্যের ওপর আমেরিকার শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পরই এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। আমেরিকা সম্প্রতি ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যে শুল্ক দ্বিগুণ করে ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ করেছে। এরই মধ্যে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (SCO) সম্মেলনে অংশ নিতে চিন সফরে যেতে পারেন। সাত বছরের মধ্যে এটি হবে মোদির প্রথম চিন সফর।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর এবং মার্কিন প্রতিক্রিয়া কূটনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও পিগট দাবি করেছেন, ভারত-চিন সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন নন, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সৎ ও স্পষ্ট আলোচনা মানেই পারস্পরিক উদ্বেগ নিয়ে খোলামেলা কথোপকথন হওয়া।” পিগটের মতে, সব বিষয়ে একমত হওয়া না গেলেও, গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে খোলাখুলি আলোচনার মাধ্যমেই দৃঢ় অংশীদারিত্ব বজায় রাখা সম্ভব।