গলসি সরকারি যোজনা দক্ষিণবঙ্গ উত্তরবঙ্গ ক্রাইম আবহাওয়া কৃষি কাজ বিনোদন স্বাস্থ্য টেকআড্ডা কর্ম-খালি দেশ-বিদেশ মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

পায়রা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্কট | মুম্বইয়ের কবুতরখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত

Published : July 8, 2025
---Advertisement---

মুম্বই শহরের পরিচিত প্রতীকগুলোর মধ্যে অন্যতম— কবুতরখানা। শহরের নানা প্রান্তে মানুষ পায়রাকে খাওয়ায়, শিশুরা এতে আনন্দ পায়, বলিউডের পর্দাতেও তা উঠে আসে বারবার। কিন্তু এই কবুতরখানা এখন জনস্বাস্থ্যের এক বড় সঙ্কট হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Read More – এরাজ্যে হু হু করে বাড়ছে করোনা, আবার কি ফিরে আসবে লকডাউন?

সম্প্রতি মহারাষ্ট্র বিধানসভায় ঢুকে পড়া একটি পায়রাকে ঘিরেই ফের চর্চায় উঠে আসে এই বিষয়টি। শিবসেনা নেত্রী ও মনোনীত বিধায়ক মণীষা কায়ান্ডে বিধানসভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি জানান, পায়রার বিষ্ঠা ও খসে পড়া পালক শ্বাসকষ্টজনিত অসুখ, হাঁপানির অন্যতম কারণ। বিজেপি নেত্রী চিত্রা ওয়াঘ আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, তাঁর এক আত্মীয়া পায়রার বিষ্ঠাজনিত শ্বাসকষ্টে মারা গিয়েছেন।

বর্তমানে মুম্বইতে ৫১টি কবুতরখানা রয়েছে। শহরের গিরগাঁও চৌপট্টি, দাদর-এর মতো এলাকায় পায়রার বিশাল ঝাঁক ফাস্টফুডের উচ্ছিষ্টে ভরপুরভাবে বেঁচে রয়েছে। যদিও কিছু জায়গায় যেমন সান্তাক্রুজের কবুতরখানা ইতিমধ্যেই বন্ধ করা হয়েছে, তবুও সচেতনতার অভাবে অনেক জায়গায় এগুলো আবার শুরু হয়েছে।


নগরোন্নয়ন মন্ত্রী উদয় সামন্ত ও উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে আশ্বাস দিয়েছেন, বৃহন্মুম্বই পুরসভাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই কবুতরখানা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করতে। পাশাপাশি মাসখানেকের মধ্যে জনসচেতনতা প্রচারও শুরু হবে। তবে চ্যালেঞ্জও কম নয়। গত বছর ধনতেরাসের সময় এক কবুতরখানা বন্ধ করতে গেলে পশুপ্রেমীরা প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন। ফলে সরকারী পদক্ষেপের পাশাপাশি, জনসচেতনতা গড়ে তোলা এখন সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। পায়রাকে খাওয়ানো দেখতে যতই নিরীহ বা ভালো কাজ মনে হোক না কেন, তার পিছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক বিপজ্জনক স্বাস্থ্যঝুঁকি— যেটা এড়াতে এখনই পদক্ষেপ জরুরি।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now