গলসি সরকারি যোজনা দক্ষিণবঙ্গ উত্তরবঙ্গ ক্রাইম আবহাওয়া কৃষি কাজ বিনোদন স্বাস্থ্য টেকআড্ডা কর্ম-খালি দেশ-বিদেশ মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

নেপালের স্পষ্ট বার্তা: নতুন সার্ক নয়, বিদ্যমান জোটকেই পুনরুজ্জীবিত করতে হবে

Published : July 15, 2025
---Advertisement---

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ঐক্যের প্রতীক সার্ক—যার কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে, পাকিস্তান ও চীনের নেতৃত্বে একটি নতুন জোট গঠনের আলোচনা যখন সামনে আসে, তখন বড় ধাক্কা দেয় নেপাল। সার্কের বর্তমান সভাপতি হিসেবে নেপাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—তারা কোনো নতুন সার্ক গঠনের পক্ষে নয়। বরং, নেপালের মতে, বিদ্যমান সার্ককেই আবার কার্যকর করে তোলা উচিত, যেখানে ভারতের পূর্ণাঙ্গ অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সম্প্রতি, পাকিস্তান, চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে এক গোপন বৈঠকে একটি নতুন আঞ্চলিক জোট গঠনের সম্ভাবনার কথা উঠে আসে। সেখানে ভারতকে বাইরে রেখে একটি বিকল্প জোটের পরিকল্পনা করা হয় বলে খবর। যদিও পাকিস্তান পরে তা অস্বীকার করে, তবুও এই আলোচনার মাঝে নেপালের স্পষ্ট অবস্থান সেই পরিকল্পনায় বড় বাঁধা তৈরি করেছে। নেপালের সূত্র জানিয়েছে—চীন বা পাকিস্তান তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে কোনো আলোচনা করেনি, এবং নেপালেরও তাতে যোগদানের কোনো ইচ্ছা নেই।

তাদের লক্ষ্য, সব সদস্য দেশকে নিয়ে বিদ্যমান সার্ককে আবার সক্রিয় করা।অন্যদিকে, ভারতের ঘনিষ্ঠ মিত্র ভুটানও এই নতুন জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। ভুটানের অবস্থান স্পষ্ট—তারা ভারতের পাশেই থাকবে। পাকিস্তান ও চীনের এই নতুন কৌশলের পেছনে আছে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের প্রভাব কমানোর প্রচেষ্টা। তারা অর্থনৈতিক সংযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত সম্পর্কের মাধ্যমে একটি বিকল্প বলয় তৈরি করতে চাইছে। তবে, এই মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক উন্নতির দিকেই যাচ্ছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক চীন সফর এবং কৈলাস মানসরোবর যাত্রার পুনরারম্ভ—এই উন্নতিরই ইঙ্গিত।সবমিলিয়ে বলা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে আবারও এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় এসেছে। যেখানে একটি নতুন বলয় গঠনের চেষ্টা থেমে গেল নেপালের স্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের কারণে। এখন নজর থাকবে সার্কের ভবিষ্যতের দিকে—পুরনো জোটই কি আবার সক্রিয় হবে, নাকি আঞ্চলিক বিভাজন আরও গভীর হবে?

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now