গলসি সরকারি যোজনা দক্ষিণবঙ্গ উত্তরবঙ্গ ক্রাইম আবহাওয়া কৃষি কাজ বিনোদন স্বাস্থ্য টেকআড্ডা কর্ম-খালি দেশ-বিদেশ মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

চাঁদে বসবাসের পথে এক নতুন দিগন্ত খুলল চিনা বিজ্ঞানীদের হাত ধরে

Published : August 4, 2025
---Advertisement---

&NewLine;<p class&equals;"wp-block-paragraph">চাঁদের মাটি থেকে জল আহরণ করে তা অক্সিজেন ও জ্বালানির উপাদানে রূপান্তর করার প্রযুক্তি আবিষ্কার করলেন চিনের বিজ্ঞানীরা। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান ও মহাকাশে টিকে থাকার জন্য এক বড় সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জুল’ &lpar;Joule&rpar; নামক সেল প্রেস জার্নালে প্রকাশিত<a href&equals;"https&colon;&sol;&sol;bn&period;wikipedia&period;org&sol;wiki&sol;&percnt;E0&percnt;A6&percnt;AE&percnt;E0&percnt;A6&percnt;B9&percnt;E0&percnt;A6&percnt;BE&percnt;E0&percnt;A6&percnt;95&percnt;E0&percnt;A6&percnt;BE&percnt;E0&percnt;A6&percnt;B6"> গবেষণায় বলা হয়েছে&comma; চিনের হংকং<&sol;a> শেনঝেন চাইনিজ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এমন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন&comma; যা চাঁদের মাটিতে থাকা জলীয় খনিজ থেকে জল সংগ্রহ করতে পারে। শুধু তাই নয়&comma; মহাকাশচারীদের নিঃশ্বাস থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইডও কাজে লাগিয়ে তা অক্সিজেন এবং জ্বালানিতে রূপান্তর করতে সক্ষম। গবেষক লু ওয়াং বলেন&comma; &&num;8220&semi;আমরা কখনও ভাবিনি চাঁদের মাটিতে এমন &OpenCurlyQuote;জাদু’ লুকিয়ে থাকতে পারে।&&num;8221&semi;<&sol;p>&NewLine;&NewLine;&NewLine;&NewLine;<p class&equals;"wp-block-paragraph">এই পদ্ধতির মূল শক্তি হল ইলমেনাইট নামক একটি চন্দ্র-খনিজ&comma; যা জল ধরে রাখে। আর ব্যবহৃত হয়েছে একটি সূর্যালোক-নির্ভর ফোটোথার্মাল রিঅ্যাক্টর&comma; যা আলো ও তাপকে ব্যবহার করে জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে সহজ করেছে।<br> ফলে শক্তি-দক্ষ&comma; পরিবেশবান্ধব ও টেকসই এক সমাধান উঠে এসেছে। চাঁদে ঘর বানানোর সবচেয়ে বড় বাধা হল পৃথিবী থেকে জল ও জ্বালানি পাঠানোর বিপুল খরচ — <a href&equals;"https&colon;&sol;&sol;galsibarta&period;com&sol;russia-china-naval-drill-japan-sea-2025&sol;">যা প্রতি গ্যালনে প্রায় ৮৩ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে<&sol;a>। নতুন এই প্রযুক্তি সেই নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। তবে চ্যালেঞ্জ এখনো অনেক। চাঁদের কঠিন আবহাওয়া&comma; বিকিরণ&comma; তাপমাত্রা ওঠানামা ও প্রযুক্তি স্থাপনের খরচ— সবই বড় বাধা। এছাড়াও&comma; মহাকাশচারীদের নিঃশ্বাস থেকে প্রাপ্ত CO₂-এর পরিমাণ প্রয়োজনীয় অক্সিজেন তৈরি করার পক্ষে এখনও অপ্রতুল। তবুও&comma; এই উদ্ভাবন স্পষ্ট করে দিয়েছে— ভবিষ্যতে চাঁদে বসবাস আর বিজ্ঞানের কল্পনা নয়&comma; বরং সময়ের অপেক্ষা। একে চন্দ্র-উপনিবেশ গঠনের পথে এক সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলেই ধরা হচ্ছে।<&sol;p>&NewLine;<div class&equals;"post-views content-post post-5173 entry-meta load-static"> &NewLine;&Tab;&Tab;&Tab;&Tab;<span class&equals;"post-views-icon dashicons dashicons-chart-bar"><&sol;span> <span class&equals;"post-views-label">Post Views&colon;<&sol;span> <span class&equals;"post-views-count">257<&sol;span> &NewLine;&Tab;&Tab;&Tab;<&sol;div>

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now