দেশের লাখ লাখ ছাত্রছাত্রীর প্রিয় শিক্ষক, খান স্যার—যিনি শুধুমাত্র শিক্ষক নন, সমাজসেবার এক জীবন্ত প্রতীক—এই রাখি বন্ধন উৎসবে একটি বিশেষ ঘোষণা করলেন। তিনি জানিয়েছেন, বিহারে একটি আধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন, যেখানে দরিদ্র মানুষরাও সাশ্রয়ী খরচে উন্নত চিকিৎসা পাবেন। রাখি বন্ধনের পবিত্র দিনে, ছাত্রছাত্রীদের সামনে এই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জানান, দেশের শীর্ষ ১০০ জন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন, যাতে হাসপাতালের চিকিৎসার মান আন্তর্জাতিক স্তরের হলেও, খরচ যেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই থাকে।
এই হাসপাতালের লক্ষ্য একটাই—ক্যান্সার রোগীদের আর্থিক সীমাবদ্ধতা যেন তাদের চিকিৎসা পাওয়ার পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। খান স্যারের ভাষায়, “শিক্ষা যেমন সকলের জন্য, তেমনি চিকিৎসাও সকলের জন্য হওয়া উচিত। আমি চেষ্টা করব, যাতে একজন গরিব মানুষও ভালো চিকিৎসা পেতে পারে, মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারে।” এই ঘোষণা শুধু একটা হাসপাতাল গঠনের কথা নয়, এটা এক সাহসী স্বপ্নের সূচনা—যেখানে একজন শিক্ষক নিজের শক্তিতে সমাজের একটি বড় সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে চলেছেন। বহু ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় খান স্যারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত, খান স্যারের এই প্রচেষ্টা বাস্তব রূপ পাবে কি না—তা সময় বলবে। তবে একজন শিক্ষকের এমন মানবিক পদক্ষেপ দেশের জন্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণা।