পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসির শিল্লা এলাকায় দামোদর নদী থেকে বালি তুলে স্টক করেছে একটি কোম্পানি। যদিও তাদের দাবি তাদের এই স্টক বৈধ। কিন্তু এই স্টক বালি নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই কোম্পানির চালান রয়েছে ‘হক মার্কেটাইল প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে।
এই স্টকের বৈধ চালান আছে বলে দাবি করলেও তারা রাতের অন্ধকারে একাধিক লড়ি ও ডাম্পারে বিনা চালানে বালি লোড দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকি কোন ডাম্পার যদি গলসি এলাকায় বালি খালি করবো বলছে তাকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ওভারলোডও দেওয়া হচ্ছে। নিরব কেন প্রশাসন? উঠছে প্রশ্ন।
স্টকের বৈধ চালান আছে বলে দাবি করলেও তারা রাতের অন্ধকারে একাধিক লড়ি ও ডাম্পারে বিনা চালানে বালি লোড দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এমনকি কোন ডাম্পার যদি গলসি এলাকায় বালি খালি করবো বলছে তাকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ওভারলোডও দেওয়া হচ্ছে। নিরব কেন প্রশাসন? উঠছে প্রশ্ন।
এলাকাবাসীদের অভিযোগ এই সিন্ডিকেটের মদতে রয়েছে গলসি ১ নং ব্লকের শাসকদলের বেশ কিছু নেতা। যারা গলসি ১ নং ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতির খুব কাছের। আর তাদের মদতেই এই অবৈধ ভাবে বালি ব্যবসা করে চলেছে ‘হক মার্কেটাইল প্রাইভেট লিমিটেড’ কোম্পানি।
প্রত্যেক গাড়ি পিছু তৃণমূলের এই নেতারা একটি কমিশন পাই বলে জানা যাচ্ছে। আর লোকাল নেতাদের দাপটেই ‘হক মার্কেটাইল প্রাইভেট লিমিটেড’ এর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে চাইনা। এই কোম্পানির বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অভিযোগ উঠেছিলো। দামোদরে শিল্লা এলাকায় বালি লোড দিলেও তারা বিভিন্ন সময় তারা বিভিন্ন যায়গার চালান ব্যবহার করত।
এছাড়াও তো চালান ছাড়া বালি লোড দেওয়া, নিজের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য সীমানায় বালি তুলে বিক্রি করা অভিযোগ তো ছিলই।স্থানিয়রা জানাচ্ছে লোকালের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সাহায্যেই এই ভাবে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বেআইনি ভাবে বালি ব্যবসা করে চলেছে ‘হক মার্কেটাইল প্রাইভেট লিমিটেড’। আগামি কাল পড়ুন ‘হক মার্কেটাইল প্রাইভেট লিমিটেড’ কোম্পানির দাপট চালাচ্ছে এলাকার কোন কোন নেতা