গলসি সরকারি যোজনা দক্ষিণবঙ্গ উত্তরবঙ্গ ক্রাইম আবহাওয়া কৃষি কাজ বিনোদন স্বাস্থ্য টেকআড্ডা কর্ম-খালি দেশ-বিদেশ মিউচুয়াল ফান্ড আধ্যাত্মিক অন্যান্য

---Advertisement---

কাশ্মীরের অধিকার দমনে আজ ভারতের ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি : মুফতি

Published : August 5, 2025
---Advertisement---

“সংবিধান কখনও একতরফাভাবে পাল্টানো যায় না, তবুও যা ঘটেছিল তা ছিল গণতন্ত্রের কেন্দ্রে এক নির্মম আঘাত”—এই ভাষাতেই ৫ আগস্ট ২০১৯-কে স্মরণ করলেন পিডিপি নেত্রী ও জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। ভারতের ইতিহাসে এই দিনটি চিহ্নিত হয়ে আছে সেই সিদ্ধান্তের জন্য, যার মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে দেওয়া হয়। এই দিনটিকে ‘জাতীয় গণতন্ত্রের কালো দিন’ হিসেবে অভিহিত করে মেহবুবা মুফতি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বলেন, “এই দিনে কোনো বিদেশি নয়, বরং আমাদেরই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসকগোষ্ঠী সংবিধানকে ছিন্নভিন্ন করেছে।”তার মতে, ৩৭০ ধারা অপসারণ ছিল কেবল শুরু। জম্মু-কাশ্মীরকে একটি রাজনৈতিক পরীক্ষাগারে পরিণত করে মানুষের অধিকার, জমি, আত্মপরিচয় সব কিছু কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যা একসময় স্থানীয় সমস্যা বলে মনে করা হতো, তা আজ সমগ্র দেশের জন্য এক ভয়ঙ্কর সতর্কবার্তা।

তিনি উল্লেখ করেন, বিহারের লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন ভোটাধিকার হারানোর মুখে। তামিলনাড়ু থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত অ-স্থানীয় ভোটারদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দেশের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য ও নির্বাচনী কাঠামো পাল্টে দেওয়া হচ্ছে। মেহবুবা মুফতির হুঁশিয়ারি, “যদি এখনই দেশ না জাগে, তাহলে জম্মু-কাশ্মীরে যা ঘটেছিল, তা একদিন সমগ্র ভারতের ভবিষ্যত হয়ে দাঁড়াবে।” তিনি আরও বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি মোটেই স্বাভাবিক নয়। “আমাদের অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মানুষের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ সংবিধান বদলে দেওয়া হচ্ছে, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, আর গোটা দেশ তার মূল্য দিচ্ছে।” এই পটভূমিতে, ৫ আগস্টের ছয় বছর পূর্তিতে তিনি এক প্রতীকী প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন। জনগণকে তিনি অনুরোধ করেছেন ৫ আগস্ট রাতে, রাত ৯টা থেকে ৯টা ১৫ পর্যন্ত ঘরের আলো নিভিয়ে ১৫ মিনিটের ব্ল্যাকআউটে অংশ নিতে। তার আহ্বান—“আলো নিভিয়ে দিন। নীরবতা কথা বলতে দিন। এই অন্ধকার আমাদের মনে করিয়ে দিক, কী হারিয়েছি আমরা, আর কী এখনও বেঁচে আছে আমাদের ভিতরে।”

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now