রবিবার সকালে রোদের ঝলকানি থাকলেও, দুপুর গড়াতেই কলকাতার আকাশে নেমে এসেছে ঘন মেঘ। ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় দু-এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। বরং, আজ দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে শহরে ঝড়বৃষ্টি আরও বাড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, দুপুর ১২টা ২০-র পর থেকে অন্তত দু-তিন ঘণ্টা কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়ায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিমি বেগে বইতে পারে দমকা হাওয়া। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম। তবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি, স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। বৃষ্টি সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, জুন থেকে আগস্টের শুরু পর্যন্ত রাজ্যের পূর্ব মেদিনীপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।
তবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক। অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে বাঁকুড়ায়। বর্তমানে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে উত্তরবঙ্গের উপরে। যার ফলে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও, উত্তরবঙ্গে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা। আজ জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, বৃষ্টির পরিমাণ হতে পারে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার। দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে রয়েছে কমলা সতর্কতা। সোমবার উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় আবারও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে আগামী সাতদিন বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার বেশি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং দুই ২৪ পরগনায়। সব জেলাতেই আজ ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায়, জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। সোমবার থেকে বুধবারের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে, যদিও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।